• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনাম:
মো: মফিজুল ইসলাম কাইয়ুম সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ৫নং পাঁচথুবী ইউনিয়ন পরিষদ আবুল কালাম আজাদ কামাল সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়ন পরিষদ মো: সালাউদ্দিন মিন্টু সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ৬নং জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ মো: ফজলুল হক ফজু সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী ৩নং ওয়ার্ড, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ৪নং আমড়াতলী ইউনিয়ন পরিষদ মো: ফারুক আহমেদ সম্ভাব্য মেম্বার পদপ্রার্থী ৭নং ওয়ার্ড, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ৫নং পাঁচথুবী ইউনিয়ন পরিষদ মোঃ হাসান আবুল সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার ৫নং পাঁচথুবী ইউনিয়ন পরিষদ হাজী মো: মাসুদ করিম মাছুম সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কুমিল্লার ৫নং পাঁচথুবী ইউনিয়ন শারিয়ার ইকবাল মজুমদার সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কুমিল্লার ১নং বাকই দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি রাজা পালানোর ঘট*নায় ৫ পুলিশ সদস্যকে বর*খাস্ত পাস করা শিক্ষার্থীদের ফেল করানো শিক্ষ*করা শা*স্তি পাবেন: মন্ত্রী
নোটিশঃ
সারাদেশে জেলা ও উপজেলায় প্রতিনিধি নেয়া হচ্ছে। আগ্রহীগণ দ্রুত যোগাযোগ করুন।

রোগী সেজে সোনার চেইন চুরি, এক্সরে করে উ*দ্ধার

প্রতিনিধির নাম: / ৮২ Time View
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:

নোয়াখালীর সদর হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনের গলার সোনার চেইন ছিনতাইয়ের সময় হাতেনাতে সিনারা বেগম (৫০) নামের এক নারীকে আটক করেছে সাধারণ লোকজন।

এ সময় তার সাথে থাকা আরও তিনজন পালিয়ে যায়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে চেইন পাওয়া না গেলে, এক্সরে মেশিনের মাধ্যমে পেটের ভেতর থেকে সোনার চেইনটি চিহ্নিত করা হয়।

আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আউটডোরে ডাক্তার দেখানোর সময় এ ঘটনা ঘটে। আটক সিনারা বেগমের বাড়ী সিলেট জেলায়।

প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ রুবেল জানান, সকালে সদর উপজেলার দাদপুর ইউনিয়ন থেকে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা বিবি ফাতেমা নামে এক নারীর গলায় থাকা সোনার চেইন কৌশলে টার্গেট করে একটি চক্র। চক্রের সদস্যরা সিরিয়ালে থাকা রোগীকে তার গায়ে ধাক্কা মেরে চেইন দুটি চুরি করে এর মধ্যে চক্রের অন্য সদস্যরা বুজতে পেরে পালিয়ে যায় আটক চক্রের অন্য সদস্য সিনারা বেগমকে লোকজনের সন্দেহ হলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় লোকজন ও রোগীর স্বজনরা তাকে ধরে তাল্লাশি চালায়।

পরে আটক নারীর দেহ তল্লাশি করে চেইনটি পাওয়া না যাওয়ায় উপস্থিত লোকজনের সন্দেহ আরও বাড়ে। একপর্যায়ে হাসপাতালের এক্সরে মেশিনের সাহায্য নেওয়া হয়। এক্সরে রিপোর্টের মাধ্যমে ওই নারীর পেটের ভেতরে চেইনটির অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়।

সুধারাম মডেল থানা থানা তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিসুর রহমান জানান, আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক নারীকে হেফাজতে নিয়ে আসে। ভূক্তভোগী হাসপাতালে ভর্তি তারা মামলা দিতে চাচ্ছে না যদি মামলা দিতে চায় তাহলে আমরা ব্যবস্থা নিব।

অন্যদিকে আটককৃত নারীকে স্থানীয় ইবনেসিনা হাসপাতালে এন্ডোসকপি করান রেজাউল ইসলাম পাটোয়ারী।এন্ডোসকপিতে পরে এক্স-রে রিপোর্টে চিহ্নিত সোনার চেইন দুটি উদ্ধার করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category